🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান 🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান
🌱 বেড়ে ওঠা✍️ রুশদানের মা⏱ ৩ মিনিটে পড়ুন

রুশদান যখন পেটে ছিল, তখন ভাবতাম বাচ্চা মানেই বোধহয় একটা নরম মাটির দলা! আমি যেদিকে কাত করব, সেদিকেই কাত হবে। আমি যা পরাব, তাই পরবে। প্রথম এক-দেড় বছর ব্যাপারটা বেশ তেমনই ছিল। কিন্তু ওর বয়স যখন ২ পার হলো, হঠাৎ করেই একদিন খেয়াল করলাম, একটা ছোট্ট ‘বিদ্রোহী’র জন্ম হয়েছে!

আমি যদি বলি, “বাবা, ভাতটা খেয়ে নাও”—ওর সোজা উত্তর, “না!”

যদি বলি, “এই নীল শার্টটা পরো”—মাথা নেড়ে বলবে, “না!”

এমনকি যদি বলি, “চলো আমরা পার্কে যাই”—যেটা ওর সবচেয়ে পছন্দের কাজ, সেখানেও প্রথম শব্দটা আসে “না!”

প্রথম প্রথম আমার মেজাজ খুব খারাপ হতো। ভাবতাম, আমার আদর কি বেশি হয়ে গেল? ছেলেটা কি দিন দিন বেয়াদব হয়ে যাচ্ছে?

পরে এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি একটু ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি।

এই যে বাচ্চার সবকিছুতে “না” বলা, এটা মোটেও কোনো বেয়াদবি বা বিদ্রোহ নয়। এটা হলো বাচ্চার জীবনের প্রথম ‘স্বাধীনতা’র ঘোষণা!

সাইকোলজির ভাষায় এই বয়সের একটা সুন্দর নাম আছে—’অটোনমি ফেইজ’ (Autonomy Phase)। একটা বাচ্চা যখন মায়ের গর্ভে থাকে, তখন থেকে শুরু করে জন্মের পর প্রথম দেড় বছর পর্যন্ত সে ভাবে, সে আর তার মা একই মানুষ। তার নিজের যে একটা আলাদা অস্তিত্ব আছে, সেটা সে বোঝেই না।

কিন্তু ২ বছরের কাছাকাছি এসে তার ছোট্ট ব্রেনে হঠাৎ একটা বিদ্যুতের ঝলক খেলে যায়! সে প্রথমবারের মতো বুঝতে পারে— “আরে! আমি তো মায়ের পার্ট না, আমি তো একটা আলাদা মানুষ! আমারও তো নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ আছে!”

আর নিজের এই নতুন পাওয়া স্বাধীন সত্তা বা অস্তিত্বটাকে প্রমাণ করার জন্য ওদের কাছে একটাই অস্ত্র থাকে, আর সেটা হলো “না” বলা।

ওরা আসলে আপনাকে অপমান করার জন্য “না” বলে না, ওরা শুধু বোঝাতে চায়—”মা, আমিও আছি। আমার একটা মতামত আছে, একটু শোনো না!”

আমরা ওদের এই “না” শুনে রেগে যাই, জোর করে নিজের ডিসিশন চাপিয়ে দিই। এতে হিতে বিপরীত হয়। বাচ্চা আরও বেশি ঘাড়ত্যাড়া হয়ে যায়।

তাহলে কি যা বলবে তাতেই “না” মেনে নিতে হবে?

একদমই না। এখানেই আসল কৌশলটা।

“না” শোনাটাকে বিদ্রোহ ভাবার বদলে বুঝতে হবে — বাচ্চা আসলে একটু নিয়ন্ত্রণ চাইছে। তাই পুরো সিদ্ধান্তটা না দিয়ে ছোট ছোট choice দেওয়া যায়।

“জামা পরবে?” না বলে বলা যায়, “নীল জামা পরবে, না লাল জামা?” দুটোই জামা পরারই বিকল্প, কিন্তু বাচ্চা মনে করে সিদ্ধান্তটা তার।

এভাবে বাচ্চা তার স্বাধীনতাও পায়, আর প্রয়োজনীয় কাজটাও হয়ে যায়।

সবসময় “না” মানলে চলবে?

না, এখানেও সীমানা দরকার। রাস্তায় হাত ধরতে হবে, একা একা বাইরে যাওয়া যাবে না — এই ধরনের নিরাপত্তার বিষয়ে “না” মানার সুযোগ নেই। শান্তভাবে কিন্তু দৃঢ়ভাবে বলতে হবে, “এটা করতেই হবে, কারণ তোমার নিরাপত্তার জন্য জরুরি।”

কিন্তু ছোট ছোট বিষয়ে, যেখানে ক্ষতি নেই, সেখানে বাচ্চাকে একটু জায়গা দেওয়া ভালো। এতে বাচ্চা শেখে তার মতামতের একটা মূল্য আছে।

রুশদানের “না” শোনার পর এখন আর মেজাজ হারাই না। বরং ভাবি — ও নিজের একটা জগৎ তৈরি করছে।

“না” বলাটা তার প্রথম স্বাধীনতা। আমার কাজ শুধু সেই স্বাধীনতাকে সঠিক পথে গাইড করা, দমিয়ে দেওয়া না।

🌙 সোনামণির খাবার নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়

রুশদানের জন্য যা বানাই, ঠিক সেটাই আপনার বাবুর জন্য — ঘরে বানানো, নো প্রিজারভেটিভ, সাদা চিনি ছাড়া।

হোমমেইড সিরিয়ালকিনোয়া খিচুড়িখেজুর চিনি

আরও গল্প পড়ুন

মা হওয়ার পর নিজের যত্ন নেওয়াটাও জরুরি

মা হওয়ার পর নিজের যত্ন নেওয়াটাও জরুরি

মা হওয়ার পর নিজের যত্ন নেয়াটা ঠিক ততটাই জরুরি, যতটা জরুরি বাচ্চার যত্ন নেয়া। এই সময়ে সঠিক খাবার যেমন মায়ের শরীরকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে, তেমনি বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর পুষ্টিও…

পুরো গল্পটা পড়ুন →
রাত ১১টা, তবুও বাচ্চা ঘুমাতে চায় না

রাত ১১টা, তবুও বাচ্চা ঘুমাতে চায় না

রাত ১১টা বাজে। আপনার সারাদিনের এনার্জি শেষ, চোখ ঘুমে বন্ধ হয়ে আসছে। কিন্তু আপনার বাচ্চার দিকে তাকিয়ে দেখলেন, সে ফুল চার্জড একটা ব্যাটারির মতো সারা ঘর দৌড়ে বেড়াচ্ছে! খেলনা নিয়ে খেলছে,…

পুরো গল্পটা পড়ুন →
বাচ্চার ব্রেন যেন নতুন কেনা স্মার্টফোন

বাচ্চার ব্রেন যেন নতুন কেনা স্মার্টফোন

বাচ্চাদের ব্রেন হলো অনেকটা নতুন কেনা স্মার্টফোনের মতো। চারপাশে যা দেখে, চোখের পলকে সেটা ডাউনলোড করে মেমোরিতে সেভ করে ফেলে। ভালো জিনিস ডাউনলোড হলে আমরা মায়েরা আনন্দে গদগদ হই, আর খারাপ…

পুরো গল্পটা পড়ুন →

সব গল্প দেখুন →

মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ