🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান 🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান
🌙 ঘুম✍️ রুশদানের মা⏱ ৩ মিনিটে পড়ুন

একটা সময় ছিল যখন রাত হওয়াটা আমার কাছে একটা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতো। ছোট্ট রুশদানকে ঘুম পাড়ানোটা ছিল আস্ত একটা যুদ্ধ!

ও খেলতো, লাফালাফি করতো, কিন্তু ঘুমের নামগন্ধও থাকতো না। আমি ক্লান্ত, হতাশ হয়ে ভাবতাম, বড়দের মতো বাচ্চাদেরও কি নিয়ম করে ঘুমানো সম্ভব?

পরে যখন এই বিষয়টা নিয়ে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলাম আর নিজের অভিজ্ঞতা থেকে শিখলাম, তখন বুঝলাম, ভুলটা আসলে আমারই ছিল! আমরা বড়রা যেমন একটা রুটিনে চলি, ওদের ছোট্ট পৃথিবীটাও একটা সুন্দর রুটিন চায়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের নাকি প্রতিদিন ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা ঘুম অত্যাবশ্যক!

সেই থেকেই আমি রুশদানের জন্য একটা “ঘুমের রুটিন” তৈরি করলাম, আর সত্যি বলতে, এটা ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে!

ভাবলাম, আমার সেই অভিজ্ঞতাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি।

বাচ্চাদের ম্যাজিক্যাল ঘুমের রুটিন:

১. ঘড়ির কাঁটা ধরে ঘুমানো:

আমি ঠিক করে নিলাম, যাই হোক না কেন, রাত ১০ টা মানেই রুশদানের ঘুমের সময়। প্রথম প্রথম একটু কষ্ট হলেও, কিছুদিন পর দেখলাম ওর শরীরটাই যেন ওই সময়টাতে ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। এখন আর ওকে জেগে রাখার জন্য যুদ্ধ করতে হয় না।

২. ঘুমের আগে “স্ক্রিন টাইম” একদম বন্ধ:

ঘুমের অন্তত এক ঘণ্টা আগে থেকে মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ সব বন্ধ! এই যন্ত্রগুলোর নীল আলো ওদের ছোট্ট মস্তিষ্ককে সজাগ রাখে, ঘুম আসতে দেয় না। মজার ব্যাপার হলো, ওর জন্য নিয়ম করতে গিয়ে এখন আমারও এই ভালো অভ্যাসটা হয়ে গেছে! কারণ, আমাদের বাচ্চারা তো আমাদের দেখেই শেখে, তাই না?

৩. সারাদিনের দৌড়ঝাঁপ:

আমি খেয়াল রাখি, রুশদান যেন দিনের বেলা মন খুলে খেলাধুলা করে। বিকেলে মাঠে বা পার্কে নিয়ে যাই। সারাদিন এমন ছোটাছুটি করলে শরীরটা ক্লান্ত হয়, আর রাতে বিছানায় পড়লেই শান্তির ঘুম চলে আসে।

৪. ঘুমের জন্য একটা শান্ত পরিবেশ:

সময় হলেই আমি ঘরের বড় আলোটা নিভিয়ে দিই, একটা ডিম লাইট জ্বালাই। ওর পাশে শুয়ে ওর সাথে সারাদিনের গল্প করি। এতে ও নিজেকে খুব নিরাপদ আর শান্ত অনুভব করে।

৫. ঘুমের আগে একটা গল্পের বই:

আমাদের ঘুমের রুটিনের সবচেয়ে প্রিয় অংশ হলো এটা। একটা সুন্দর গল্পের বই পড়তে পড়তে রুশদান কখন যে ঘুমের দেশে হারিয়ে যায়, টেরই পায় না।

এই ছোট্ট রুটিনটা আমাদের রাতের যুদ্ধকে একটা মিষ্টি ও ভালোবাসার মুহূর্তে পরিণত করেছে। হ্যাঁ, ধৈর্য ধরতে হয়েছে, কিন্তু ফলটা ছিল অমূল্য।

আপনার সোনামণিকে ঘুম পাড়ানোর কোনো বিশেষ কৌশল আছে কি? বা এই টিপসগুলো নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন! আসুন, একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শিখি।

🌙 সোনামণির খাবার নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়

রুশদানের জন্য যা বানাই, ঠিক সেটাই আপনার বাবুর জন্য — ঘরে বানানো, নো প্রিজারভেটিভ, সাদা চিনি ছাড়া।

হোমমেইড সিরিয়ালকিনোয়া খিচুড়িখেজুর চিনি

আরও গল্প পড়ুন

মাঝরাতে বাচ্চার কাশি

মাঝরাতে বাচ্চার কাশি

বাচ্চার কাশির শব্দ শুনে মাঝরাতে আপনার ঘুম ভেঙেছে কখনো? আমার তো প্রায়ই ভাঙে। আর ঘুম ভাঙার পর বাকি রাতটা দুশ্চিন্তায় কাটে—এটা কি শুধু সাধারণ ঠান্ডা লাগা, নাকি এর চেয়েও ভয়ের কিছু? শুরুটা…

পুরো গল্পটা পড়ুন →
মা হওয়ার আগে আমার একটা অহংকার ছিল

মা হওয়ার আগে আমার একটা অহংকার ছিল

রুশদানের জন্মের আগে আমার একটা অদ্ভুত অহংকার ছিল। আমি ভাবতাম, আমার মতো কুম্ভকর্ণ এই দুনিয়ায় খুব কমই আছে। একবার চোখ বন্ধ করলে আশেপাশে বো*মা ফাটলেও আমার ঘুম ভাঙতো না। কিন্তু রুশদান হওয়ার…

পুরো গল্পটা পড়ুন →
প্রথম হাঁটা, প্রথম “মা” ডাক

প্রথম হাঁটা, প্রথম “মা” ডাক

Rushdan যখন প্রথমবার হাঁটল, আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। প্রথমবার "মা" বলল, বুকটা ভরে গিয়েছিল। প্রথমবার দৌড়াল, প্রথমবার গান গাইল, প্রথমবার প্রশ্ন করল — প্রতিটা "প্রথম" মনে হয়েছিল অলৌকিক।

পুরো গল্পটা পড়ুন →

সব গল্প দেখুন →

মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ