🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান 🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান
💗 মায়ের মন✍️ রুশদানের মা⏱ ৩ মিনিটে পড়ুন

রুশদানের জন্মের আগে আমার একটা অদ্ভুত অহংকার ছিল। আমি ভাবতাম, আমার মতো কুম্ভকর্ণ এই দুনিয়ায় খুব কমই আছে। একবার চোখ বন্ধ করলে আশেপাশে বোমা ফাটলেও আমার ঘুম ভাঙতো না। কিন্তু রুশদান হওয়ার পর, আমার সেই অহংকার কোথায় যে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল!

এখন আমার ঘুমটা কেমন জানেন? অনেকটা পাহারাদারের মতো। চোখ বন্ধ থাকে, কিন্তু কান দুটো একদম সজাগ। রুশদান একটু এপাশ-ওপাশ করলেই আমি ধড়ফড় করে উঠে বসি।

মা হওয়ার পর একটানা ৩-৪ ঘণ্টা ঘুমাতে পারাটা যে কতটা বিলাসিতার ব্যাপার, সেটা শুধু একজন মা-ই বুঝবেন। প্রথম কয়েক মাস তো রাতের পর রাত জেগে কেটেছে। আমি হয়তো আধো ঘুমে ঢুলছি, আর রুশদান দিব্যি ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে!

আমরা মায়েরা ভাবি, এটা শুধু একটু “ক্লান্তি লাগা”। কিন্তু আসলে ঘুম না হলে শরীরে কী হয় জানেন?

গবেষণা বলছে, নতুন মায়েরা গড়ে রাতে মাত্র ৪ থেকে ৬ বার টুকরো টুকরো ঘুমান। এই বিচ্ছিন্ন ঘুম মস্তিষ্কের জন্য পুরোপুরি না ঘুমানোর মতোই ক্ষতিকর! ঘুম কম হলে শরীরে ‘কর্টিসল’ (স্ট্রেস হরমোন) বেড়ে যায় আর ‘সেরোটোনিন’ (যা মন ভালো রাখে) কমে যায়। ফলে সামান্য কারণেই মায়েদের রাগ উঠে যায়, চোখে পানি চলে আসে, ধৈর্য একদম শূন্যের কোঠায় নেমে যায়।

Johns Hopkins-এর একটি গবেষণা তো আরও ভয়ংকর কথা বলছে। একটানা কয়েক রাত ঘুম কম হলে মস্তিষ্কের চিন্তাশক্তি এমনভাবে কমে যায়, যেটা নাকি মদ্যপান করা অবস্থার সাথে তুলনীয়! একই জিনিস বারবার ভুলে যাওয়া, কথার মাঝপথে থেমে যাওয়া—এসব তখনই বেশি হয়।

আমি নিজেও একদিন চা বানাতে গিয়ে চা-পাতা দিতেই ভুলে গিয়েছিলাম! শুধু গরম পানি আর চিনি কাপে ঢেলে বসে ছিলাম। মনে পড়তেই নিজের ওপর খুব হাসি পেয়েছিল। কিন্তু তখন হাসির চেয়ে বেশি মনে হয়েছিল—আমার মাথাটা কি ঠিক আছে?

হ্যাঁ, আমার মাথা ঠিকই ছিল। শুধু ঘুম ছিল না।

এই যে দিনের বেলা মেজাজ খিটখিটে লাগে, রুশদানের বাবার ওপর রাগ হয়, বাচ্চার সামান্য কান্নাতেও বিরক্ত লাগে—এটা কিন্তু মায়ের স্বভাব খারাপ হয়ে যাওয়া নয়, এটা শরীরের একটা জৈবিক প্রতিক্রিয়া।

তাহলে এই সময়টা সামলাবেন কীভাবে?

এর কোনো ম্যাজিক সমাধান নেই, তবে কিছু ট্রিকস সাহায্য করতে পারে:

১. বাচ্চা ঘুমালে আপনিও ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ওই সময়টায় বাসন ধোয়া বা ঘর গোছানোর চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।

২. রাতে যদি সাহায্য পাওয়া যায় (স্বামী বা অন্য কেউ), তবে পালা করে সামলান। সব দায়িত্ব একা কাঁধে নেওয়ার দরকার নেই।

৩. দিনের বেলায় ছোট্ট ২০ মিনিটের একটা পাওয়ার ন্যাপও (Nap) ব্রেনকে অনেকখানি রিচার্জ করে দেয়।

৪. আর সবচেয়ে জরুরি কথা—”পারফেক্ট মা” হওয়ার চাপ থেকে নিজেকে একটু রেহাই দিন।

রুশদান এখন বড় হয়েছে, রাতে একটানা ঘুমায়। কিন্তু সেই দিনগুলোর ক্লান্তির কথা আমার এখনো মনে আছে। যে মায়েরা এখন এই নির্ঘুম রাতের পর্যায়টার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের বলছি—আপনার শরীর ক্লান্ত হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। এটা আপনার দুর্বলতা নয়।

একটানা ৪ ঘণ্টার সেই শান্তির ঘুম একদিন আপনার জীবনে আবার ফিরে আসবে। ততদিন পর্যন্ত নিজের প্রতি একটু নরম হোন।

আপনাদের কাদের এখন এই নির্ঘুম রাত কাটছে? আর ঘুমের অভাবে দিনের বেলা কেমন পাগলামি করেছেন?

🌙 সোনামণির খাবার নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়

রুশদানের জন্য যা বানাই, ঠিক সেটাই আপনার বাবুর জন্য — ঘরে বানানো, নো প্রিজারভেটিভ, সাদা চিনি ছাড়া।

হোমমেইড সিরিয়ালকিনোয়া খিচুড়িখেজুর চিনি

আরও গল্প পড়ুন

দাদার হাত ধরে বিকেলের হাঁটা

দাদার হাত ধরে বিকেলের হাঁটা

রুশদানের দাদা প্রায়ই রুশদানকে সাথে নিয়ে বিকেলে হাঁটতে বের হয়। গতকাল উনি বাসায় এসে বললেন, "তোমার ছেলে তো বাইরে একদম দেবদূত! কী শান্ত, কী লক্ষ্মী!"

পুরো গল্পটা পড়ুন →
ছোটবেলায় সবাই মিলে খাওয়ার সেই দিনগুলো

ছোটবেলায় সবাই মিলে খাওয়ার সেই দিনগুলো

ছোটবেলার কিছু স্মৃতি থাকে, যেগুলো মনে পড়লে ভেতরটা কেমন যেন অদ্ভুত একটা শান্তিতে ভরে যায়। আমার এখনো খুব স্পষ্ট মনে আছে, আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন আমাদের বাড়িতে খাওয়ার নিয়মটা ছিল একদম অন্যরকম।

পুরো গল্পটা পড়ুন →
আগে হাঁটতে শেখা মানেই কি বাচ্চা বেশি বুদ্ধিমান?

আগে হাঁটতে শেখা মানেই কি বাচ্চা বেশি বুদ্ধিমান?

"আমার ছেলে তো হামাগুড়ি না দিয়েই হাঁটা শুরু করেছে! ৭ মাসেই দেয়াল ধরে দাঁড়াতো, আর ১০ মাসেই সোজা হাঁটা শুরু করেছে!"

পুরো গল্পটা পড়ুন →

সব গল্প দেখুন →

মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ