🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান 🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান
🌱 বেড়ে ওঠা✍️ রুশদানের মা⏱ ৩ মিনিটে পড়ুন

আপনার বাচ্চা কখনো সকালে নাস্তা করে আটটায়, কখনো নয়টা আবার কখনো ১০ টায়। কখনো দুপুরে ঘুম, কখনো নেই। রাতে ঘুমানোর সময়ও ঠিক নাই — কোনোদিন নয়টা, কোনোদিন এগারোটা বা বারোটা।

আর এর ফল হয় প্রতিদিন। বাচ্চা সারাদিন কোনো না কোনো কারণে জেদ করবে, কান্না করবে। কখনো খেতে চাইবে না, কখনো ঘুমাতে চাইবে না, কখনো শুধু শুধু অস্থির হয়ে থাকবে।

সমস্যা গুলো বাচ্চার না, সমস্যাটা আমাদের রুটিনের।

একটা ঘটনা দিয়ে বুঝিয়ে বলি।

সেদিন বিকেলে হঠাৎ মেহমান এলো বাসায়। খাওয়ার সময় পেরিয়ে গেল, ঘুমের সময়ও পেরিয়ে গেল। রুশদান ধীরে ধীরে অস্থির হয়ে উঠল। প্রথমে ঘ্যান ঘ্যান, তারপর কান্না, শেষে পুরোপুরি মেজাজ হারিয়ে ফেলল।

আমি জানতাম আসল কারণ — তার শরীর জানত এখন খাওয়ার সময়, ঘুমের সময়। সেটা না হওয়াতেই তার মধ্যে এই অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল।

সেদিনের পর সিদ্ধান্ত নিলাম — যত যাই হোক রুটিনটা কন্টিনিউ ফলো করতে হবে।

বাচ্চারা রুটিন কেন এত পছন্দ করে?

বাচ্চাদের কাছে দুনিয়াটা এমনিতেই অনিশ্চিত। তারা জানে না পরের মুহূর্তে কী হবে। এই অনিশ্চয়তা তাদের মধ্যে একধরনের অস্বস্তি তৈরি করে, যেটা তারা মুখে বলতে পারে না — শুধু জেদ বা কান্না দিয়ে প্রকাশ করে।

কিন্তু যখন একটা রুটিন থাকে — সকালে ঘুম থেকে উঠলে নাস্তা, তারপর খেলা, তারপর গোসল, তারপর দুপুরের খাবার — তখন বাচ্চার মস্তিষ্ক জানে পরে কী আসছে। এই পূর্বানুমান তাকে নিরাপদ বোধ করায়।

নির্দিষ্ট রুটিনে বড় হওয়া বাচ্চাদের মধ্যে উদ্বেগ কম থাকে, আত্মনিয়ন্ত্রণ ভালো হয়, এবং মেজাজ অনেক বেশি স্থিতিশীল থাকে। কারণ তাদের প্রতিদিন নতুন করে অনিশ্চয়তার সাথে লড়াই করতে হয় না।

রুটিন থাকলে মায়েদেরও সুবিধা

এখন রুশদানের একটা নির্দিষ্ট রুটিন আছে। সকাল আটটায় নাস্তা, দুপুর একটায় খাবার, দুপুরে একটু বিশ্রাম, বিকেলে খেলা, রাত ৯ টা, ১০টার মধ্যে ঘুম।

এই রুটিন তৈরি করার পর সবচেয়ে বড় পার্থক্যটা হলো — এখন বারবার বকা দিতে হয় না। কারণ রুশদান নিজেই জানে এখন কী সময়। “এখন খাওয়ার সময়” বললেই সে বোঝে, তর্ক করে না।

রুটিন তৈরি করবেন কীভাবে?

প্রতিদিন একই সময়ে খাওয়া, ঘুম আর খেলার সময় রাখুন। একদম মিনিটে মিনিটে মিলতে হবে না, কিন্তু মোটামুটি একই সময়ে হলে বাচ্চার শরীর সেটা মনে রাখে।

রুটিন ভাঙলে বিরক্ত হবেন না। মাঝে মাঝে মেহমান আসবে, বাইরে যেতে হবে — এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বেশিরভাগ দিন রুটিন মেনে চললেই যথেষ্ট।

বাচ্চাকে রুটিন সম্পর্কে আগে থেকে বলে রাখুন। “এখন খেলা শেষ, এবার গোসলের সময়” — এভাবে বললে বাচ্চা প্রস্তুত থাকে, হঠাৎ বাধা পেয়ে রাগ করে না।

রুটিন মানে কঠোর নিয়ম না। রুটিন মানে বাচ্চাকে একটা নিরাপদ, পূর্বানুমানযোগ্য জগৎ দেওয়া।

আর অবাক করা ব্যাপার হলো — এই নিরাপত্তাটাই বাচ্চাকে শান্ত রাখে, জেদ কমায়, এবং মায়ের দিনটাও অনেক সহজ করে দেয়।

🌙 সোনামণির খাবার নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়

রুশদানের জন্য যা বানাই, ঠিক সেটাই আপনার বাবুর জন্য — ঘরে বানানো, নো প্রিজারভেটিভ, সাদা চিনি ছাড়া।

হোমমেইড সিরিয়ালকিনোয়া খিচুড়িখেজুর চিনি

আরও গল্প পড়ুন

বাইরে গেলে বাচ্চা কেন চুপ হয়ে যায়?

বাইরে গেলে বাচ্চা কেন চুপ হয়ে যায়?

Rushdan-কে বাসার বাইরে নিয়ে গেলে একটা অদ্ভুত জিনিস হয়। ঘরে যে ছেলে আমার পেছনে পেছনে ঘোরে, বাইরে গেলে সে আলাদা মানুষ। দৌড়ায়, লাফ দেয়, পিঁপড়ে দেখলে বসে পড়ে, পাখি দেখলে থামে, মাটিতে…

পুরো গল্পটা পড়ুন →
দাদার হাত ধরে বিকেলের হাঁটা

দাদার হাত ধরে বিকেলের হাঁটা

রুশদানের দাদা প্রায়ই রুশদানকে সাথে নিয়ে বিকেলে হাঁটতে বের হয়। গতকাল উনি বাসায় এসে বললেন, "তোমার ছেলে তো বাইরে একদম দেবদূত! কী শান্ত, কী লক্ষ্মী!"

পুরো গল্পটা পড়ুন →
বাবা অফিস থেকে ফিরলে আমাদের বাসার মিষ্টি দৃশ্য

বাবা অফিস থেকে ফিরলে আমাদের বাসার মিষ্টি দৃশ্য

আমাদের বাসায় একটা খুব মিষ্টি দৃশ্য প্রতিদিন দেখা যায়। রুশদানের বাবা অফিস থেকে ফেরার ঠিক আগেই ও দরজার কাছে গিয়ে দাড়িয়ে থাকে। বাবার শব্দ পেলেই দৌড়! দরজা খোলার আগে থেকেই ওর একটানা ডাক…

পুরো গল্পটা পড়ুন →

সব গল্প দেখুন →

মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ