🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান 🌙 ১০০% হোমমেইড · নো কেমিক্যাল · নো প্রিজারভেটিভ 🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি · ঢাকায় ৮০৳, ঢাকার বাইরে ১৩০৳ 💛 ১ লক্ষ ১৪ হাজার+ মায়ের ভরসার নাম রুশদান
🩺 স্বাস্থ্য✍️ রুশদানের মা⏱ ৩ মিনিটে পড়ুন

রুশদানের জন্মের পর, আমিও ভাবতাম সকালের মিষ্টি রোদটুকুই বুঝি ওর শরীরের সব ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ করে দেবে। কিন্তু সত্যিটা হলো, আমাদের আজকের ফ্ল্যাটবাড়ির জীবন আর দূষণের কারণে অনেক শিশুরই শুধু রোদ থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।

ভিটামিন ডি হলো শিশুদের জন্য “সানশাইন ভিটামিন”!

এটি শিশুর হাড় ও দাঁতকে করে মজবুত, আর বাড়িয়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তাই রোদের পাশাপাশি খাবারের মাধ্যমেও ভিটামিন ডি নিশ্চিত করাটা খুব জরুরি।

চলুন জেনে নিই, কোন ৭টি সহজলভ্য ও প্রাকৃতিক খাবার আপনার সোনামণির ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে সাহায্য করতে পারে:

১.

তৈলাক্ত দেশি ও সামুদ্রিক মাছ (Fatty Fish):

ভিটামিন ডি-এর সেরা প্রাকৃতিক উৎস হলো তৈলাক্ত মাছ। আমাদের দেশের ইলিশ, পাঙ্গাশ, বোয়াল, আইড়, চাপিলা এবং সামুদ্রিক মাছের মধ্যে রূপচাঁদা, স্যামন, টুনা, সার্ডিন (যা এখন সুপারশপগুলোতে পাওয়া যায়) ভিটামিন ডি-এর চমৎকার উৎস।

২.

ডিমের কুসুম:

সহজলভ্য এবং পুষ্টিকর ডিমের কুসুম ভিটামিন ডি-এর একটি দারুণ উৎস। প্রতিদিনের নাস্তায় একটি দেশি বা ফার্মের মুরগির ডিমের সিদ্ধ কুসুম শিশুর অনেক পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে।

৩.

মাশরুম:

মাশরুম, বিশেষ করে যা সূর্যের আলোতে বড় হয়, তাতে প্রাকৃতিকভাবেই ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের দেশে এখন ওয়েস্টার মাশরুম বেশ সহজলভ্য। স্যুপে বা অন্য সবজির সাথে মিশিয়ে মাশরুম খাওয়ানো যেতে পারে।

৪.

কলিজা:

দেশি মুরগি বা গরুর কলিজায় অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এটি আয়রনেরও একটি চমৎকার উৎস, যা রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে।

৫.

পনির:

ঘরে তৈরি ছানা বা পনিরে অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। এটি ক্যালসিয়ামেরও একটি ভালো উৎস, যা হাড়ের জন্য উপকারী। (শিশুর বয়স ও হজম ক্ষমতা অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে দিন)।

৬.

খাঁটি গরুর দুধ:

প্রাকৃতিকভাবেই গরুর দুধে অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে। ২ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের জন্য এটি ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর একটি ভালো উৎস হতে পারে।

৭.

মাখন ও ঘি:

খাঁটি দুধ থেকে তৈরি মাখন ও ঘিতেও অল্প পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। শিশুর খিচুড়ি বা নরম ভাতে অল্প পরিমাণে ঘি/মাখন যোগ করলে তা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টিও জোগাবে।

রুশদানের জন্য আমি যা করি:

আমি চেষ্টা করি রুশদানের খাদ্যতালিকায় ডিম, দেশি মাছ (যেমন পাঙ্গাস বা পাবদা) এবং টক দই নিয়মিত রাখতে। এর পাশাপাশি ওকে প্রতিদিন অল্প সময়ের জন্য হলেও বাইরে খেলতে নিয়ে যাই, যাতে রোদ আর খেলা দুটোই হয়!

গুরুত্বপূর্ণ কথা:

প্রাকৃতিক খাবারে ভিটামিন ডি-এর পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তাই শিশুর মধ্যে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির কোনো লক্ষণ (যেমন: হাড়ে ব্যথা, দেরিতে হাঁটা বা দাঁত ওঠা) দেখলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। তিনিই বলতে পারবেন আপনার শিশুর সাপ্লিমেন্ট প্রয়োজন কিনা।

আপনার সোনামণিকে এই তালিকা থেকে কোন খাবারটি খাওয়াতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন? কমেন্টে জানাতে পারেন!

🌙 সোনামণির খাবার নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়

রুশদানের জন্য যা বানাই, ঠিক সেটাই আপনার বাবুর জন্য — ঘরে বানানো, নো প্রিজারভেটিভ, সাদা চিনি ছাড়া।

হোমমেইড সিরিয়ালকিনোয়া খিচুড়িখেজুর চিনি

আরও গল্প পড়ুন

বাচ্চার কান্নার কাছে আপনিও কি নিয়ম ভেঙে ফেলেন?

বাচ্চার কান্নার কাছে আপনিও কি নিয়ম ভেঙে ফেলেন?

এমনিতে রুশদান কার্টুন দেখার জন্য খুব একটা কান্নাকাটি করে না। টাইম শেষ হলে সুন্দরমতো টিভি বন্ধ করতে দেয়। কিন্তু গতকাল দুপুরে হঠাৎ করেই ওর একটা অদ্ভুত জেদ চাপল!

পুরো গল্পটা পড়ুন →
বুকের দুধ ছাড়ানোর ভুল পদ্ধতি

বুকের দুধ ছাড়ানোর ভুল পদ্ধতি

"দুধ তো ছাড়াতেই হবে। এক কাজ করো, বুকে একটু নিমপাতার রস বা করলার রস মেখে দাও। মুখে দিলেই তিতা লাগবে, আর খাবে না। অথবা একটু আলতা বা লাল রঙ মেখে বলো যে রক্ত বের হচ্ছে, মা ব্যথা পেয়েছে!"

পুরো গল্পটা পড়ুন →

সব গল্প দেখুন →

মেসেঞ্জার হোয়াটসঅ্যাপ